অতিরিক্ত চালাক লোকেরা কেন সুখী হতে পারে না?

অতিরিক্ত চালাক লোকেরা সুখী হতে পারে না

অতিরিক্ত চালাক লোকেরা সুখী হতে পারে না

অতিরিক্ত চালাক লোকেরা সুখী হতে পারে না

বুদ্ধিমত্তা, কৌশল, ও সাহস না থাকলে জীবনের বাঁধা বিপত্তি পেরানো যায় না। এই গুলো ছাড়া আপনি জীবনে উন্নতি করতে পারবেন না। তবে আপনি জেনে অবাক হবেন অতিরিক্ত চালাক লোকেরা জীবনে সুখী হতে পারে না। কেন অতিরিক্ত বুদ্ধিমান মানুষ সুখী হতে পারে না সেই সম্পর্কে আজকে এই লেখা।

অতিরিক্ত চালাক লোকদের মধ্যে সুখ আছে তা আমার জানা বিরল জিনিস। সুখ হলো সন্তুষ্টি ও তৃপ্তির এক অনুভূতি। সুখ আপেক্ষিক এবং বিষয়গত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চালাক লোকেরা একাকীত্ব, দুঃখ এবং বেদনার অনুভূতির মধ্যে থাকে।  

অতিরিক্ত বুদ্ধিমান মানুষ সবকিছু বেশী বিশ্লেষণ করে

যেকোন কাজ করার আগে অবশ্যই যথেষ্ট চিন্তা ও পরিকল্পনা করে করতে হবে। তবে তা যেন অতিরিক্ত বিশ্লেষণ না হয়। যখনই আপনি মাএারিক্ত পরিকল্পনা ও বিশ্লেষণ করবেন তখন তার মধ্যে থেকে শুধু নেগেটিভ জিনিসই আসবে।

যেমন – লেবু যখন ভাতের সাথে খাওয়া হয় তখন সাধারনত ২/৩ বার কচলে এর রস বের করি। যদি ২/৩ বার না করে ৭/৮ বার করি তাহলে এর রসের বদলে তিতা বের হয়ে যায়, ফলে ভাত খাওয়া নষ্ট হয়। ঠিক তেমনি অতিরিক্ত বুদ্ধিমান মানুষ সবকিছু বেশী বিশ্লেষণ করে ফলে সুখী হতে পারে না।

অতিরিক্ত চালাক লোকেরা নিজের উপর খুব কঠোর হয়

বেশী চালাক লোকেরা সুখী হতে ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি কারণ তারা নিজের সাথে খুব কঠোর থাকে। বুদ্ধিমান ও গভীর চিন্তাশীল ব্যক্তিরা নিজেকে এবং তাদের নিজস্ব আচরণকে একটি কঠোর পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে।

চালাক লোকেরা প্রায়শই তাদের অতীতের ভুলগুলির মধ্যে এক ধরণের ভয় অনুভব করে। ফলে সমস্ত অপরাধবোধ, অসন্তুষ্টি এবং অন্যান্য নেতিবাচক আবেগগুলি জন্মায় যা কারও সুখকে বিষিয়ে দিতে পারে। 

পড়ুন- মানসিক চাপ কমাতে আট উপায়

অতিরিক্ত চালাক ব্যক্তি কথা বলে বেশী শুনে কম

কোনও মানুষ দ্বারা সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি হওয়া একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা। এ ক্ষেএে তারা (অতিরিক্ত চালাক) মানুষের কথা শুনে কম এবং নিজে বেশী কথা বলে।

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বুদ্ধিমান লোকদের খুব কমই আনন্দ হয়। কেউ যদি তাদের মনের গভীরতা দেখতে এবং প্রশংসা করতে না পারে তাহলে তারা অনেকে ভুল বোঝাবুঝি করে এবং ফলে তারা দুঃখী হয়।

এছাড়া তারা অন্যের অন্যায় প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করে। অতিরিক্ত চালাক লোকেরা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক উদ্বেগ, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার সমস্যা হতে দেখা যায়।