শরীরের ফিটনেসের জন্য ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

শরীরের ফিটনেসের জন্য ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

শরীরের ফিটনেসের জন্য পরামর্শ

শরীরের ফিটনেসের জন্য পরামর্শ

শারীরিক গঠন ঠিক রাখতে এবং মানসিক ভাবে দুর্দান্ত বোধ করতে শারীরিক ফিটনেসের গুরুত্ব অপরিসীম। ফিটনেসের সাথে শারীরিক সুস্থতাও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।

আর শারীরিক ভাবে ফিট থাকতে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। এখানে আমরা শারীরিক ভাবে নিজেকে ফিট রাখতে ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরবো। নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১. প্রতিদিন ব্যায়াম করুন

প্রতিদিন নিয়মিত ন্যূনতম আধা ঘন্টা ব্যায়াম করুন। এক্ষেত্রে দৌড়াদৌড়ি, জগিং ইত্যাদিকে বেছে নিতে পারেন। তবে ভারী ব্যায়াম গুলোর পরিবর্তে হালকা ব্যায়াম গুলো অনুশীলন করার চেষ্টা করুন।

কিন্তু আপনি যদি অতিরিক্ত আনফিট হয়ে থাকেন তাহলে হালকা ব্যায়ামের পরিবর্তে কিছুটা ভারী ব্যায়াম গুলো বেছে নিতে পারেন।

উদাহরণস্বরুপ, আপনি যদি অতিরিক্ত আনফিট হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আধা ঘন্টা দ্রুত হাটাঁর বদলে এক ঘন্টা বা এর বেশি হাটুঁন। তবে ব্যায়ামের মাঝখানে ছোট ছোট বিরতি নিন।

পাশাপাশি পেশী গুলোতে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে এমন ব্যায়াম থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। ব্যায়ামের পরে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন যুক্ত খাবার গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। পড়ুন – মাএ ৩০ মিনিট হাঁটলে যা ঘটবে আপনার শরীরে 

২. সঠিক খাবার গ্রহণ করুন

সব সময় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। তবে অবশ্যই মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ হতে বিরত থাকুন। এক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে নিজেকে ফিট রাখতে বেশি বেশি শাকসবজি ও ফল ফলাদি খেতে পারেন।

প্রতিদিনের জন্য বরাদ্ধকৃত খাবার গুলোকে ভাগ করে খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং বেশি প্রোটিন সমৃ্দ্ধ ও কম চর্বি যুক্ত বিকল্প খাবার গুলো গ্রহণের চেষ্টা করুন।

 উদাহরণস্বরুপ, আপনি যদি প্রতিদিন তিন বেলা খাবার গ্রহণ করেন তাহলে ফিট থাকতে হলে এই তিন বেলা খাবারকে ভাগ করে ৬ বেলায় গ্রহণ করুন।

সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখুন খাবারের পরিমাণ যেন তিন বেলায় যা গ্রহণ করতেন তার চেয়ে বেশি না হয়। অপরদিকে আপনি যদি মুরগী খেতে পছন্দ করেন তাহলে ব্রয়লার মুরগীর পরিবর্তে টার্কি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান

প্রতিদিন নিয়ম করে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। শরীরকে ফিট রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের বিকল্প নেই। তাছাড়া একটানা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

এর ফলে আপনি সারা দিন নিজেকে ক্লান্তি থেকে দূরে রাখতে পারবেন। পাশাপাশি অন্যান্য কাজ গুলো স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে পারবেন।

৪. সব সময় অনুপ্রাণিত থাকুন

নিজেকে ফিট রাখতে পজিটিভ মাইন্ডসেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আপনি যদি নিজেকে সব সময় ইতিবাচক ও অনুপ্রাণিত রাখতে পারেন তাহলে নিজেকে ফিট রাখতে কি কি করা যেতে পারে সে দিকে বাড়তি নজর দিতে পারবেন।